পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে অসত্য বলার মধ্য দিয়ে ঢাকা-ওয়াশিংটনের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন কথা বলেন।
এ সময় তিনি ভারতের ভিসা নিয়েও কথা বলেন। ভিসা ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত ভিসা দেবে কি না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।
মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাংলাদেশের দুজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে ট্রাম্পের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ করবে কি না জানতে চাওয়া হয় তৌহিদ হোসেনের কাছে।
জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আমার মনে হয় না। বিষয়টা হলো প্রেসিডেন্ট শুধু এটা বলেছেন— তিনি কোনো বিস্তারিত দেননি বা প্রশ্ন করেননি। আমরাও দেখেছি যে, আসলে এরকম কোনো কিছু নেই। কাজেই এটা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এ ধরনের বক্তব্যে সাধারণত সংশ্লিষ্ট দেশের দূতদের ডাকা হয়।
তাহলে কেন ঢাকাস্থ দেশটির দূতকে ডাকা হবে না— এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটাকে আমি কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য বলে মনে করি না। একটা বিবৃতি দিয়েছেন, আমরা দেখেছি যে, এটার এমন কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না। তিনি (ট্রাম্প) স্পষ্ট করে একটা কথাও বলেননি, বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে। দুই ব্যক্তি বলতে তিনি কাদের বুঝিয়েছেন আমরা জানি না। কাজেই এটা নিয়ে তারপরে আর কোনো বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন মনে করি না।
ট্রাম্পের বক্তব্য অসত্য বলেছে সরকার। এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া ঠিক হলো কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, এটা বলাই যায়। যেহেতু এরকম কোনো কিছু খুঁজে পাইনি। কাজেই এটা ঠিক না, এটাই বলেছি।
উল্লেখ্য, গত সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে ‘স্ট্রেংদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ২৯ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকল্পটি নিয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন, যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।






