জাতীয়

ধরাছোঁয়ার বাইরে একাধিক মামলার আসামী কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খান

কাউন্দিয়া ইউনিয়ন সহ আশেপাশের এলাকায়  কুখ্যাত চাঁদাবাজ ভূমিদস্যু ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকারের দোসর সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয়দাতা গুম হত্যা’সহ একাধিক মামলার আসামি হয়েও রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খান ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনী সদস্যরা।

———————————————————————————————————————————-

ঢাকা জেলা সভার উপজেলা কাউন্দিয়া ইউনিয়নের কুখ্যাত চাঁদাবাজ ভূমিদস্যু সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহনীর মূল’হোতা বিভিন্ন থানার একাধিক মামলার আসামি ফ্যাসিস্ট সরকারের মনোনীত কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খান ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা।

এখন পর্যন্ত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ায়  কাউন্দিয়া ইউনিয়নসহ আশেপাশের এলাকার আতঙ্কের যেন শেষ নেই।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে অতীতের সাধারণ একজন দিন হাজিরা শ্রমিক বর্তমানেকাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খান।

ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন নিরীহ অসহায় পরিবারের জায়গা জবরদখল সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় দেয়া থেকে শুরু করে অত্র এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে মিথ্যা মামলা হামলা করে প্রচন্ড জুলুম নির্যাতন করে আসছিল।

কোটা সংস্কার দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে আন্দোলনরত ছাত্র জনতা যাতে কোন ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি পালন করতে না পারে সেজন্য আন্দোলনরত ছাত্র’জনতাকে স্বৈরাচার সরকারের পক্ষ থেকে সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান কুখ্যাত ভূমিদস্যু সাইফুল আলম খানের নির্দেশে তার একান্ত সহচর লেদ’মিস্ত্রি শফি হাজী,চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী প্রধান আলমাস, সেলিম,কামরুল,জাহাঙ্গীর ওরফে মগা জাহাঙ্গীর,উজ্জল,তারেক আজিজ’সহ আরো অনেকেই নানা ধরনের ভয়-ভীতি ও

 হুমকি  প্রদর্শন করার পাশাপাশি গত ৪ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে আন্দোলনরত ছাত্র জনতা উপর ঢাকা ১৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মইনুল হোসেন খান নিখিল এর সাথে কুখ্যাত চাঁদাবাজ ভূমি দস্যু কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খান ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের কে ঢাকা ১৪ আসনের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর অবৈধ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করতে দেখা গিয়েছে। গত ৫ ই আগস্ট  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার পতনের পর থেকে কুখ্যাত এই চাঁদাবাজ ভূমিদস্যু সাইফুল আলম খান আত্মগোপনে চলে গেলেও এখন পর্যন্ত বিএনপির একশ্রেণীর সুবিধাবাদী নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য আমিনুর রশিদের সঙ্গে সখ্যতা রেখে এখন পর্যন্ত অত্র এলাকা জুড়ে তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা দখলদারিত্ব চাঁদাবাজি বালি ভরাট’সহ সকল অপরাধ কর্মকাণ্ডের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। কুখ্যাত ও ভূমিদস্যু ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা এখনো আইনশৃংখলার রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাহিরে থেকে যাওয়ায়, অত্র এলাকার স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের মাঝে আতঙ্ক যেন কোনভাবেই কাটছে না।

গত ১৮ ই জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ বিকেলে কাউন্দিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু মানুষ অভিযোগ করে বলেন, কুখ্যাত বহুত সাইফুল আলম খান অত্র এলাকায় না থাকলেও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য সোফিয়া দের নেতৃত্বে আলমাস সেলিম কামরুল মগজ জাহাঙ্গীর সহ আরো অনেকেই অত্র এলাকার নিরহ মানুষের জায়গা দখল,সরকারি জায়গা দখল, বালি ব্যবসা দখল করে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও বালু বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা অবৈধ উপার্জন করলেও তার বাহিনীর নির্যাতনের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন’না আরে ওরা আরো বলছেন কুখ্যাত এই ভূমিদস্যু সাইফুল আলম খান ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর ক্ষমতার কাছে অতীতেও প্রশাসনের ভূমিকা নির্বিকার বর্তমান ও তাই।

গত ৫ আগস্ট তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে সাবেক এই চেয়ারম্যান আত্মগোপনে চলে গেলেও তার একান্ত সহচর সফি হাজীর নেতৃত্বে চলছে তার ত্রাসের রাজত্ব, এমন অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়, ভুক্তভোগী হাজী আবু তাহের,হাজী রমিজ উদ্দিন, মোঃ শামীম খান, আব্দুল বাতেন, মোঃ মিলনসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষের অভিযোগ করে বলেন, কুখ্যাত এই ভূমিদস্য সাইফুল আলম খান ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর পাশাপাশি সাইফুল আলম খানের আপন ভাতিজা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নাবিল খান ও তার চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাহিনী কিশোর গ্যাং সদস্যদের অত্যচার নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিলো অত্র কাউন্দিয়া ইউনিয়নসহ আশেপাশের এলাকার মানুষ।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেক নিরহ অসহায় পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা  ও বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানি করার পাশাপাশি জিম্মি করে জায়গা জবরদখল করে নিয়েছে এই কুখ্যাত ভূমিদস্য সাইফুল আলম খান তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনী সদস্যরা।

আওয়ামী লীগ স্বৈরাচার সরকার পতন হলেও একাধিক মামলার আসামি

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ভোট চুরির মাধ্যমে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান এখনো অধরাই রয়ে গেছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর কুখ্যাত ভূমি দস্য সাইফুল আলম খান তার সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীদের দ্রুত গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছে ।

এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেলিম ও কামরুলের সঙ্গে কথা হলে তারা প্রতিনিধিকে বলেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমরা সকলেই বিএনপির সক্রিয় সদস্য। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার থাকা অবস্থায় সাইফুল আলম খান কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকার সুবাদে তার সাথে আমাদের সখ্যতা তৈরি হয় কিন্তু মূলত আমরা বিএনপি রাজনীতির সাথেই জড়িত।

বর্তমানে তারা কি করছেন প্রতিনিধির এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিম বলেন বর্তমানে আমরা ৩০ জন মিলে বালি ভরাটের ব্যবসা করছি।

৩০ জন কে কে এমন প্রশ্ন জবাবে তিনি বলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা এবং সাভার উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন সাহেবের শালা সোহেল ভূঁইয়া,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য আমিনুর রশিদ,ইউসুফ মেম্বার,উজ্জল,কামরুল, ইউসুফ মেম্বার, সহ যুবদলের অনেকেই এই বালির ব্যবসা সঙ্গে জড়িত আছেন।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য আমিনুর রশিদের  মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে কাউন্দিয়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিমের সাথে হলে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন, আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে  আমরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা ও হত্যা চেষ্টায় মামলার সকল এজাহার নামীয় আসামীদের গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply