জাতীয়

ইতিহাস ; গৌরবময় ১৯৭১

গৌরবগাঁথা ১৯৭১ সনের মহান মুক্তিযুদ্ধে যার অবদানই সবচেয়ে বেশি, যিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, সারাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে যার সফল নেতৃত্বদানের মধ্য দিয়েই যুদ্ধের সমাপ্ত ঘটে, সাথে রয়েছে মিত্রবাহিনী সহযোগিতা।
বঙ্গবীর উপাদি একমাত্র যার পাওয়ার কথা ছিলো, অনেকে তাকে বঙ্গবীর বলে ডাকতোও তখন, কিন্তু শেখ মুজিবের বিশেষ স্নেহধন্য হওয়ায় সেই বঙ্গবীর উপাধির মাল্য পড়ানো হয় কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান কাদের সিদ্দিকীর গলায়।
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের সম্মানও কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগের শাসন আমলে, নানান বিতর্ক সৃষ্টি করে সেই কৃতিত্ব তুলে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে শেখ মুজিবের ঝুলিতে।
আজ সেই ১৯৭১ সনের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর আতাউল গনি ওসমানী (জেনারেল ওসমানী) বীরউত্তমের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী, এইদিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে তাকে স্বরণ করি, সাথে কামনা করি তার রুহের মাগফেরাত।
তার সমাধি সিলেটের শাহজালাল দরগা শরিফের পাশে না হয়ে ঢাকা বা আশেপাশের কোথাও হলে, দুটো লাল গোলাম কিনে দিয়ে আসতাম গিয়ে, যখন সিলেটের দরগাহ শরিফে যাওয়া হয় তখন জেয়ারত করে আসি তার সমাধি।
যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে গিয়ে তা নিলামে তুলেছে, এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কুক্ষিগত করতে চেয়েছে আজ তারাই পদে পদে লাঞ্চিত হচ্ছে।
আমি বলবো এসব তাদেরই অভিশাপ যাদের প্রাপ্য সম্মান না দিয়ে তাদের সম্মান চুরি করে নিজেদের সম্মান বাড়ানোর চেষ্টা করেছে, তাদের কপালে আরো অনেক ভোগান্তি রয়েছে, সম্মান কখনো লুট করা যায়না।

লেখক রহমান শিহাবী

নিউজ ডেস্ক:

Leave a Reply