বাংলাদেশ জেল বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘কারেকশন সার্ভিস বাংলাদেশ’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারাগারকে শুধু শাস্তির জায়গা নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “কারেকশন সার্ভিস অ্যাক্ট ২০২৫” এর খসড়া ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কারাগারের নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি কারারক্ষী পদবী ও পোশাকেও আধুনিকায়ন আনা হবে।
তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বন্দিদের সংশোধন, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক পুনর্বাসনের মাধ্যমে একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন করা।
তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, শুধু নাম পরিবর্তন নয়, বাস্তবিক অর্থে জেল বিভাগকে দুর্নীতি ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করতে হবে। প্রকৃত অর্থে কারেকশন সার্ভিসে রূপান্তরিত করতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, মানবিক আচরণ এবং আধুনিক পুনর্বাসন ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
একজন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেন, “নাম পাল্টালে মানসিকতায় পরিবর্তন আসবে না। এজন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা।”
সরকারি সূত্র জানায়, নতুন আইনের আওতায় কারা কর্মীদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণ, বন্দিদের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানমুখী কার্যক্রম এবং কারা ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে।






