অপতথ্য নিয়ে কাজ করা সংস্থা বন্ধ করল ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই সংস্থাটি ছিল। বিশ্বে কিভাবে অপতথ্য ছড়াচ্ছে, তা নিয়ে কাজ করত এই সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, এ ধরনের সংস্থার আর কোনো প্রয়োজন নেই।
তার বক্তব্য, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছিল এই সংস্থা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, সাধারণ মতামত প্রকাশ করে আমেরিকার প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছিল, জেলেও যেতে হচ্ছিল। এমন সংস্থার আর কোনো প্রয়োজন নেই। সে কারণেই এই সংস্থাটিকে বন্ধ করা হলো।
রুবিও জানিয়েছেন, ওই অফিস বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ করত শুধু সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার জন্য। বস্তুত, এই সংস্থাটিকে নিয়ে বরাবরই সমস্যা ছিল রিপাবলিকানদের। তাদের বক্তব্য ছিল, রক্ষণশীল মিডিয়ার খবরকে বারবার আক্রমণ করেছে এই সংস্থা।
অভিযোগ, বিচারক জেমস বোসবার্গ নির্দেশ দিয়েছিলেন, এল সালভাদোরের জেলে যে ব্যক্তিদের প্লেনে করে ডিপোর্ট করা হচ্ছে, সেই বিমান ফিরিয়ে আনতে হবে। যাদের ডিপোর্ট করা হচ্ছে, তাদের ডিপোর্ট করা যাবে না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সেই নির্দেশে কর্ণপাত করেনি। সেই মামলার সূত্র ধরেই বুধবার বিচারক জেমস একটি ৪০ পাতার রায় দিয়েছেন।
তাতে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে আদালতে এসে ক্ষমা চাওয়ার এবং কৃতকর্মের কারণ জানানোর। যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করা হবে।
আবার শিরোনামে হার্ভার্ড
এবার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ছাড়ের সুবিধা তুলে দিতে পারে মার্কিন প্রশাসন। বুধবার এই খবর প্রকাশ করেছে সিএনএন এবং ওয়াশিংটন পোস্ট। সংবাদে বলা হয়েছে, দেশের ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস বিভাগকে ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারিভাবে এ বিষয়ে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৫০১ (সি)(৩) ধারায় কর ছাড়ের সুযোগ পায়। হার্ভার্ডের কাছ থেকে এই সুযোগ কেড়ে নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বস্তুত এর আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড বন্ধ করার ঘোষণা করা হয়েছিল। হার্ভার্ড জানিয়ে দিয়েছিল, প্রশাসন যতই চাপ দিক, একাডেমিক বিষয়ে তারা কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে দেবে না।






