ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আলী মো. রাশেদ। এর আগে কসবা থানার ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন নাজনীন সুলতানা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নবনিযুক্ত ওসি বলেন, কসবা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন সীমান্তবর্তী হওয়ায় এ এলাকায় মাদক, চোরাচালানসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কঠোরভাবে কাজ করবে কসবা থানা পুলিশ।
তিনি বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কসবা উপজেলাবাসী, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের একার পক্ষে সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।”
এ সময় তার সাবেক কর্মস্থল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নবীনগাছা থানায় দায়িত্ব পালনকালে একটি আলোচিত হত্যা মামলার আসামিকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ওসি আলী মো. রাশেদ অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের একটি হত্যা মামলার গ্রেপ্তারকৃত এক আসামিকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
ওসি আরও বলেন, অভিযোগের পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তিন দফা তদন্ত করে। প্রতিটি তদন্তেই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
নবনিযুক্ত ওসি আলী মো. রাশেদ বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবেন।






