কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় গত ৫ জানুয়ারি ধর্ষণের শিকার হয় ছয় বছরের এক শিশু। বিষয়টি নিয়ে গ্রামের মাতবররা সালিশ বৈঠকে বসেন। সেখানে শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে ছয়টি জুতার বাড়ি এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই বিচার মানতে চায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার। তবুও জরিমানার ৫ হাজার টাকা শিশুটির নানির হাতে জোরপূর্বক ধরিয়ে দেন মাতবররা। সেই সঙ্গে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, সালিশের বিচার না মেনে থানায় গেলে বসতভিটা ছাড়তে হবে।
বাংলাদেশ
শিশু ধর্ষণের শাস্তি ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা
শিশু ধর্ষণের শাস্তি ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা
শিশু ধর্ষণের শাস্তি ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা
ফাইল ছবি
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৫ | ০৬:১১
FacebookXWhatsAppLinkedInTelegramMessengerEmailShare
–
অ
+
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় গত ৫ জানুয়ারি ধর্ষণের শিকার হয় ছয় বছরের এক শিশু। বিষয়টি নিয়ে গ্রামের মাতবররা সালিশ বৈঠকে বসেন। সেখানে শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে ছয়টি জুতার বাড়ি এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই বিচার মানতে চায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার। তবুও জরিমানার ৫ হাজার টাকা শিশুটির নানির হাতে জোরপূর্বক ধরিয়ে দেন মাতবররা। সেই সঙ্গে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, সালিশের বিচার না মেনে থানায় গেলে বসতভিটা ছাড়তে হবে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির নানি জানান, ধর্ষণের ঘটনাটি গ্রামের মাতবরদের জানালে তারা সালিশ বৈঠক ডাকার পরামর্শ দেন। আর মাতবরদের কথা অমান্য করে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে ক্ষতি হতে পারে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এই ভয়ে ঘটনার ১৫ দিন পর সালিশ ডাকেন ভুক্তভোগীর নানি। সেখানে বাবুলকে ছয়টি জুতার বাড়ি এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বাবুলের পরিবার থেকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে– এ বিষয়ে মুখ খুললে গ্রামছাড়া করা হবে






