নিহত সেলিনা বেগম একই ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের মোস্তফা হালদারের মেয়ে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী সুজন মোল্লাকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। ঘটনার পর সুজনসহ তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে তাকে ধরতে আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। রাত দেড়টার দিকে সুজন মোল্লাকে দিঘীরপাড় এলাকা থেকে আটক করা হয়।
তিনি আরো বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি সুজন নিয়মিত মাদক সেবন করে। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুজন মোল্লা মুন্সীগঞ্জ হাসপাতালে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন আছে।
আটক সুজন মোল্লা জানান, তার মামার সঙ্গে পরকীয়া সন্দেহে ঝগড়ার এক পর্যায়ে নিজে কীটনাশক পান করে স্ত্রীকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।






