রাজধানীর মিরপুরে দলীয় ত্যাগী নেতা এস.এ. সিদ্দিক সাজুকে দেওয়া ‘কারণ দর্শানোর নোটিশ’—শোকজকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনার পাশাপাশি উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি ঘিরে রবিবার রাতেই ঢাকা-১৪ আসনের বিভিন্ন এলাকায় তার ভক্ত, অনুসারী ও স্থানীয় সমর্থকদের উদ্যোগে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিল থেকে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সানজিদা ইসলাম তুলীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। মিছিলের বিভিন্ন স্থান থেকে “তুলীকে বয়কট করো” স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। পাশাপাশি ড. মাহাদি আমিন, বিএনপির নেতা কফিল ও হানিফের বিরুদ্ধেও বয়কটের স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।

মিছিলকারীরা অভিযোগ করে বলেন, দলীয় ত্যাগী নেতা এস.এ. সিদ্দিক সাজুকে অন্যায়ভাবে শোকজ করা হয়েছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” তাদের দাবী , দলীয় সংকটের সময়ে এস.এ. সিদ্দিক সাজু সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, কর্মীদের আগলে রেখেছেন। বিগত সময়ের কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেছেন, দলীয় আদর্শে ছিলেন অবিচল তার মতো বলিষ্ঠ, সৎ ও কর্মীবান্ধব নেতাকে মনোনয়ন না দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
মিছিলে অংশগ্রহণ কারিদের সকলের দাবি, এমন একজন ত্যাগী, নিষ্ঠাবান ও বলিষ্ঠ নেতাকে বাদ দিয়ে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে— যাকে ঢাকা-১৪ আসনের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে চেনেন না বিষয়টি আমাদের কাছে অনেকটা বিস্ময়কর। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন ঢাকা ১৪ আসনের যোগ্য প্রার্থী হচ্ছেন এস এ সিদ্দিক সাজু তাকে মনোনয়ন না দিয়ে তুলী’কে দেয়াটা সভনীয় নয় তবুও।
রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান যখন দলীয় সিদ্ধান্তে সানজিদা ইসলাম তুলীকে মনোনয়ন দিয়েছেন, তখন সাজুর পক্ষ থেকে তুলীর বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই উচিত ছিল। তারা আর বলেন সাজুর মতো অভিজ্ঞ নেতার কাছে আমরা আরও ধৈর্যশীল ভূমিকা আশা করেছিলাম। এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন ,ঢাকা-১৪ আসনের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে তাদের ভাষায়—গত রাতের মশাল মিছিল শুধু প্রতিবাদ নয় এটি ছিল ত্যাগ, নেতৃত্ব ও জনবিশ্বাসের এক দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ।এস.এ. সিদ্দিক সাজুর প্রতি মানুষের আবেগ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তার রাজনৈতিক পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।
মশাল মিছিলকে কেন্দ্র করে অত্র এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা এখন এলাকার পরিবেশ খুব টেনশনপূর্ণ। যে কোনো সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এলাকার মানুষজন এখন অস্থির ও শঙ্কিত যে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।






