রাজধানী

মিরপুরে কুরআন ও রেহেল বিতরণ: নৈতিকতা ও আলোর পথে নতুন প্রেরণা

 

মানবকল্যাণ ও নৈতিকতার পথে আল্লাহর হুকুম এবং নবীর আদর্শকে জীবন্ত রাখতে সমাজে সেবা ও সৎপথে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে একটি হৃদয়স্পর্শী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর মিরপুর হরিরামপুরে অবস্থিত জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্যে কুরআন ও রেহেল বিতরণ করেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও ইতিহাসবিদ ড. ইঞ্জি. এইচ. এম. রমজান পাশা।

কুরআন ও রেহেল বিতরণের বিষয়ে সমাজের স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলেন,ইতিহাসবিদ ড. ইঞ্জি. এইচ. এম. রমজান পাশার।
এই মহৎ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় জ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষায় সমৃদ্ধি আনবে।
শিক্ষার্থীরা কেবল পঠন-পাঠনের আনন্দ পাবেন না, বরং নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সহানুভূতির পথেও দৃঢ়ভাবে অনুপ্রাণিত হবেন।

ড. রমজান পাশার এ প্রয়াস সমাজের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এমন উদ্যোগ কেবল শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো সমাজকে নৈতিক ও মানবিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
এটি প্রমাণ করে যে, শিক্ষার আলো এবং ধর্মীয় অনুপ্রেরণা একসঙ্গে সমাজকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল করে তুলতে পারে।
এই বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও ইতিহাসবিদ ড. ইঞ্জি. এইচ. এম. রমজান পাশার।

এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য এবং এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ছোট ছোট প্রয়াসও বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।
এই মহৎ উদ্যোগের বিষয়ে বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও ইতিহাসবিদ ড. ইঞ্জি. এইচ. এম. রমজান পাশার সঙ্গে কথা হলে, তিনি প্রতিনিধিকে বলেন- আজকের এই মহৎ কার্যক্রম—মিরপুর হরিরামপুরে কুরআন ও রেহেল বিতরণ—কে আমি হৃদয়ঙ্গম করি এক অনন্য উদ্যোগ হিসেবে।


এটি শুধু বই বিতরণের কাজ নয়, বরং আমাদের শিশু, যুবক ও সমাজের প্রতিটি স্তরে ইসলামের আলো ছড়ানোর একটি মহান প্রচেষ্টা।

কুরআন আমাদের জীবনের পথপ্রদর্শক, আল্লাহর অমোঘ হুকুম এবং নৈতিকতার চূড়ান্ত দিশা।
যখন আমরা কুরআন ছড়াই, আমরা শুধু একটি ধর্মীয় গ্রন্থ বিতরণ করি না; আমরা দান করি জ্ঞান, আধ্যাত্মিক প্রজ্ঞা এবং ভালোবাসার বীজ।

আর রেহেল হলো সেই মাধ্যম যা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে কুরআন ও ইসলামী শিক্ষা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নবী করিম (সা:) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি কুরআন শেখে ও শেখায়, তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থান অপেক্ষা করছে।”

এই উপলক্ষে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়—আমরা যেন আমাদের সন্তান, নাতি-নাতনি, শিক্ষার্থী ও যুব সমাজকে কুরআন পড়ার প্রতি অনুপ্রাণিত করতে পারি।

আজকের এই কার্যক্রম আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সমাজের সৎচেতনা ও নৈতিক উন্নয়নের পথের মূল স্তম্ভ হলো ইসলামী শিক্ষা। আমরা যদি সত্যিকারের ইসলামী মূল্যবোধকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তবে আমাদের প্রতিটি পরিবার, স্কুল ও মাদ্রাসা যেন আল্লাহর রাহমতের আলোতে আলোকিত হয়।

আমি আশাবাদী, এই বিতরণ কার্যক্রম কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম হবে না, বরং আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষকে সত্যের পথে পরিচালিত করবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই উদ্যোগকে কবুল করুন এবং আমাদের সকলকে ইসলামের সঠিক পথে চলার তৌফিক দিন।

Leave a Reply