রাজধানী

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া ইসলামিক স্কলার রমজান পাশাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা বিশিষ্ট  ইসলামিক স্কলার এইচ এম রমজান পাশাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা আমাদের সমাচার প্রতিনিধি’কে বলেন এইচ এম রমজান পাশা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রখ্যাত একজন ইসলামিক স্কলার তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। গত বছর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এইচ এম রমজান পাশার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিত ও সক্রিয় সরব ভূমিকা থাকার কারণে তাকে টার্গেট করা হয়েছে বলে মনে করছেন আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা।

রমজান পাশার মামলার বিষয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা হলে স্থানীয়রা গণমাধ্যম’কে বলেন এইচ এম রমজান পাশার মতো মানুষ হয় না তিনি,একজন শান্ত-শিষ্ট,ভদ্র ও অত্যন্ত সৎ মানুষ। রমজান পাশা অত্র এলাকার অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের কাছে ফেরেশতা সমতুল্য তাছাড়াও আমরা কখনো তাকে কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে দেখেননি,সামাজিক জীবনে তিনি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেই চলেন।
এছাড়া রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী তাদের ভাষ্যমতে রমজান পাশ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তিনি সবসময় নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছেন।

এইচ এম রমজান পাশার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আজরাবাদ জামে মসজিদের ইমামের সঙ্গে কথা হলে তিনি গণমাধ্যম’কে বলেন দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছেন রমজান পাশা তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন এবং সমাজসেবামূলক কাজে অংশ নেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও জনসভায় তার দেওয়া বক্তৃতায় সর্বদা তিনি ন্যায়, সমতা ও ভ্রাতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন,তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগক সম্পূর্ণ ভিত্তিহিন অযৌক্তিক ও মনগড়া।

রমজান পাশার সহকর্মীরা বলেন, তিনি সবসময় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন অথচ তার এই ভূমিকা সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে হয়রানির পাশাপাশি সমাজে তার মানসম্মান ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চলছে।

কারণ তার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক মর্যাদা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্থ করার লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েই সম্প্রতি কুচক্রী মহলের সদস্য সবুজ খান উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এইচ এম রমজান পাশা’কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহাম্মদপুর থানার একটি মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছেন।

মামলার তথ্যে তাকে সহিংসতা ও উস্কানির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যদিও প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা বলছেন তিনি সবসময় শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করেছেন এবং কোনো সহিংস কর্মকাণ্ডের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এ ঘটনার পর অত্র এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে,স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বলছে।

একজন নিরপরাধ ইসলামিক স্কলার’কে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো শুধু ব্যক্তির প্রতি নয়, বরং সমাজের প্রতি অন্যায়। আমরা অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

অন্যদিকে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সত্য কথা বলা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো অপরাধ হতে পারে না,এই ধরনের মামলার মাধ্যমে একদিকে নিরপরাধ ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে, অন্যদিকে বিচার বিভাগ’কে দুর্বল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রমজান পাশাকে ঘিরে দায়ের করা মিথ্যা মামলা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। জনগণ, বিভিন্ন সংগঠন ও বিশিষ্টজনেরা ঐক্যবদ্ধভাবে বলছেন।

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হলে সমাজে শান্তি আসবে না তাই দ্রুত এ মামলা প্রত্যাহার করে রমজান পাশার মর্যাদা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক:

Leave a Reply