রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জুম্মনকে শুক্রবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে রাজধানীতে হত্যাসহ দুটি মামলা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনাসদস্যরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুর ১ নম্বরে মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়ে জুম্মনকে আটক করেন। রাতে তাঁকে শাহ আলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, শাহ আলী থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জুম্মনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জুম্মনের বিরুদ্ধে শাহ আলী থানায় একাধিক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আছে। তিনি মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্য। জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় করা একটি হত্যা মামলার আসামি।
রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সের একাধিক ব্যবসায়ী সাংবাদিক’দের বলেন, জুম্মনের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই। মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সে চাঁদাবাজি ও ওই মার্কেটের সামনের রাস্তা দখল করে ও ফুটপাতে চাঁদা নিয়ে হকার বসিয়ে আসছিলেন তিনি। মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের এফ ব্লকে দুটি সাততলা, মিরপুর ১ নম্বরে গুদারাঘাটে চারতলা, মিরপুর শাহ আলী বাগের জনতা হাউজিংয়ে ছয়তলা, ঢাকার অদূরে সাভারের নিউমার্কেটের পেছনে তিনতলা ও একটি একতলা বাড়ি রয়েছে। এ ছাড়া ফরিদপুরে নিজ বাড়িতে দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি।
জুম্মন গ্রেফতারের পরেও স্বস্তিতে নেই এলাকায় বাসি তার অবর্তমানে ফুটপাতের চাঁদা তোলা সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে তার ছেলে নাজমুল।
এ বিষয়ে একাধিক স্থানীয়রা বলে জুম্মন আটক হয়েছে তার ছেলে নাজমুল আটক হলে এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে।
আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যে, তারা যেন জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি।
সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া উচিত।






