রাজধানী ঢাকায় সেই চিত্র ভয়াবহ, কেন না এখানে বর্তমানে মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ২৪ কেজি।
সমাজবিজ্ঞানী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। প্রতিদিন প্লাস্টিক ওয়েস্ট বাড়ছে। ঢাকায় মোট আবর্জনার মধ্যে ২০ শতাংশ প্লাস্টিক।
তিনি আরো বলেন, ‘ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জনগণ ও কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত না করলে, যতই অর্থ ঢালুক না কেন কোনো ফল পাওয়া যাবে না। যে জিনিসটা আমি বারবার ব্যবহার করতে পারবো না, যে জিনিস ক্ষতির কারণ হবে সেগুলো বর্জন করতে হবে।’
প্রাণিবিজ্ঞানী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র একটা আইন করে প্লাস্টিক বন্ধের চেষ্টা সফল হয় না। সেইসঙ্গে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন আরও বাড়ানো উচিত। প্লাস্টিকের বিকল্পকে আরও বেশি তুলে ধরতে হবে।
পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, প্লাস্টিক দূষণ রোধে নীতিমালা কঠোর হচ্ছে। একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় থাকছে কড়া নির্দেশনা।
পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা।






