আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠান; উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আমিনুল ইসলামসহ ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর জাতীয় পর্বের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী খুদে ক্রীড়াবিদদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও পুরস্কার তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ছিল ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা।’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী পুরো আর্মি স্টেডিয়াম মাঠ প্রদক্ষিণ করেন এবং গ্যালারিতে অবস্থানরত হাজারো শিশু-কিশোর, অভিভাবক ও দর্শকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। পরে তিনি মাঠে নেমে খুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও হাত মেলান। প্রধানমন্ত্রীর এমন আন্তরিকতায় স্টেডিয়ামজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনাল এবং বালক ও বালিকা বিভাগের ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, পদক ও সম্মাননা তুলে দেন তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আমিনুল ইসলামসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের প্রতিনিধিসহ ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মে ২০২৬ সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর যাত্রা শুরু হয়। দেশের উপজেলা ও জেলা পর্যায় থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার খুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণ করে। ধারাবাহিক বাছাই শেষে সেরা প্রতিযোগীদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের ক্রীড়া অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবে। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।






