শনিবার ২ মে ২০২৬ ইং তারিখে দৈনিক আমাদের সমাচার অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় “দিনাজপুরে হাসপাতালের অনুষ্ঠানে ‘টেস্টি ট্রিট’-এর খাবার খেয়ে অর্ধশতাধিক অসুস্থ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি জনস্বার্থে প্রাপ্ত তথ্য, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়।
সংবাদে উল্লেখ করা হয়, দিনাজপুর উপশহরে গাক চক্ষু হাসপাতালের একটি অনুষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টেস্টি ট্রিট নামক প্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহকৃত খাবার গ্রহণের পর অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তারা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুর সদর হাসপাতাল এবং দিনাজপুর ইসলামিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি হন।
ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দ্রুত অভিযান পরিচালিত হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট খাদ্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, ফ্রাই রোল ও ক্লাব স্যান্ডউইচসহ দুইটি খাদ্যপণ্যের উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ, বিদ্যমান স্যান্ডউইচজাতীয় খাদ্য জব্দ এবং পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও গ্রহণ করা হয়। এই প্রশাসনিক অভিযানের ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হয়।
দৈনিক আমাদের সমাচার অনলাইন মাল্টিমিডিয়ার পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে যে, প্রকাশিত সংবাদটি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। এটি ছিল একটি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘটনা, যেখানে জনস্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের তথ্য নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
তবে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একাধিক ভিডিও প্রতিবেদনে সমন্বিতভাবে রিপোর্ট (strike) প্রদান করে সংবাদমাধ্যমটির কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে গণমাধ্যমটির পেশাগত স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর হস্তক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দৈনিক আমাদের সমাচার অনলাইন মাল্টিমিডিয়া মনে করে, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো গণমাধ্যমকে টার্গেট করে ডিজিটাল চাপ প্রয়োগ বা হয়রানি করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী।
এ ধরনের ডিজিটাল হয়রানি বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনলাইন আক্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৫, ২৬ ও ২৯ (ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি ও সাইবার বুলিং) এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯, ৫০০, ৫০৬ ও ৪২৭ (মানহানি, হুমকি ও ক্ষতিসাধন) প্রযোজ্য হতে পারে।
দৈনিক আমাদের সমাচার অনলাইন মাল্টিমিডিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাচ্ছে—ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা হোক এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আমরা পুনরায় স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ আমাদের অঙ্গীকার। যেকোনো ধরনের চাপ, হয়রানি বা বাধা সত্ত্বেও আমরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখব।
জে এফ শাহীন
প্রধান প্রতিবেদক
দৈনিক আমাদের সমাচার অনলাইন মাল্টিমিডিয়া






