জাতীয়

জুলাই আন্দোলনে মিথীর সাহসী ভূমিকা, আন্দোলন শেষে ফিরেছে পড়ার টেবিলে

জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। সেই আন্দোলনে বিশেষভাবে চোখে পড়েছিল পাবনার এক তরুণীর উপস্থিতি— মিথী। হাতে প্ল্যাকার্ড, গলায় প্রতিবাদের স্লোগান— মিথী ছিলেন শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতীকী মুখগুলোর একটি।

মিছিল-সমাবেশে প্রতিদিন ভিড়ের মাঝেও মিথিকে দেখা গেছে কখনো প্ল্যাকার্ড হাতে, কখনো পলতা হাতে ।আশপাশের শিক্ষার্থীরা বলেন, তার সরব অংশগ্রহণ ও সাহসী অবস্থান অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। বিশেষ করে, একজন তরুণী হিসেবে ভিড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সে যে বার্তা দিয়েছে, তা আন্দোলনকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।

তবে আন্দোলন শেষে মিথীর সিদ্ধান্ত ছিল ভিন্ন। রাজনীতির পথে না গিয়ে সে আবার ফিরেছে তার পড়ার টেবিলে। তার ভাষায়, “সংগ্রাম করেছি অধিকার আদায়ের জন্য, কিন্তু আমার ভবিষ্যৎ তৈরি হবে পড়াশোনার মাধ্যমেই।”
বর্তমানে মিথী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে   ‘‘ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট‘‘ বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী।

আন্দোলনের দিনগুলোতে মিথীর পাশে ছিলেন তার মা। সন্তানকে একা ছাড়েননি তিনি। প্রতিদিন মায়ের হাত ধরেই মিথী যোগ দিয়েছিল আন্দোলনে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতার সময় একজন মায়ের এই সাহসী উপস্থিতি আন্দোলনকে করেছে আরও মানবিক, দিয়েছে নতুন বার্তা।

জুলাই আন্দোলনে মিথীর ভূমিকা দেখিয়েছে, নতুন প্রজন্ম শুধু অধিকার আদায়ে সোচ্চারই নয়, তারা সচেতনও— রাজনীতির অন্ধ ঘূর্ণিপাকে না জড়িয়ে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে জানে।

নিউজ ডেস্ক:

Leave a Reply