চন্দনগাছের সুগন্ধি কাঠ যুগ যুগ ধরে ত্বকচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যুগ বদলালেও চন্দনের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ খুব কম। আগে যেখানে চন্দনের গুঁড়ো তৈরি করতে সময় লাগত, এখন সেই কষ্ট অনেকটাই কমেছে। বাজারে সহজলভ্য চন্দনগুঁড়া দিয়ে ঘরেই রূপচর্চা সম্ভব।
ব্রণ ও লালচে ভাব দূর করে
চন্দনে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক ও প্রদাহনাশক উপাদান।
ত্বকে প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য আনে
চন্দন ত্বকের রক্তসঞ্চালন উন্নত করে ও মৃত কোষ সরাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে নিস্তেজ ত্বক ফিরে পায় প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ-এর এক তথ্যে বলা হয়েছে, চন্দনে রয়েছে ত্বক ঠাণ্ডা করার ক্ষমতা, যা রোদে পোড়া, ফুসকুড়ি বা চুলকে যাওয়া ত্বকে আরাম দিতে পারে।
অকাল বার্ধক্যের ছাপ কমায়
চন্দনে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ত্বকের বলিরেখা ও দাগ দূর করে। এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে করে তোলে আরও নমনীয় ও প্রাণবন্ত।
তৈলাক্ত ভাব কমায়
চন্দনগুঁড়া ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রেখেও অতিরিক্ত তেল ও সেবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয় তেলমুক্ত ও সতেজ।
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
এক চামচ চন্দনগুঁড়ার সঙ্গে মিশিয়ে নিন গোলাপজল, দুধ বা মধু। মুখে মেখে রাখুন ১০–১৫ মিনিট, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২–৩ বার এই ফেসপ্যাক ব্যবহারেই মিলতে পারে কার্যকর ফল। চন্দনের গন্ধ যেমন প্রশান্তি আনে, তার গুণও তেমনি ত্বকে আনে প্রশান্ত সৌন্দর্য। কেমিক্যাল নয়, এবার ভরসা রাখুন এই প্রাচীন আয়ুর্বেদিক উপাদানে।






