ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় ফের বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ড ঘিরে দুইপক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেছে। এ ছাড়া পাল্টাপাল্টি মানববন্ধনও করেছেন দুই গ্রামবাসী। দুই পক্ষের লোকজনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক কথা বলছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল ও বাড্ডা গ্রামের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি সলিমগঞ্জ বাজারের একটি দোকানে বাড্ডা গ্রামের কয়েকজন যুবকের বাকি খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়াইলের লোকজন তাদের বেধড়ক পেটায়।
অন্যদিকে বাড়াইল গ্রামে হামলার ঘটনায় বাড়াইলের বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে বাড্ডা গ্রামের ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে নবীনগর থানায় একটি মামলা করেন।
সংঘর্ষের সময় প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না।
এ বিষয়ে বাড্ডা গ্রামের বাসিন্দা মুন্সি আতিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো সাংবাদিককে আসামি করিনি। একজন খুনিকে আসামি করেছি। সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে এলাকায় অবৈধ বালুর ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে এলাকায় নানা অপকর্ম করছে। এই খুন যে সে করেছে, আমাদের কাছে এর প্রমাণও আছে।
নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক বলেন, পুনারায় সংঘর্ষ হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। কারণ, পরবর্তী যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এলাকায় যৌথবাহিনী সার্বক্ষণিক কাজ করছে। দুটি মামলার তদন্ত চলছে। আমি নিজে এসব মামলা মনিটরিং করছি। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।






