পরে ওই কিশোরীকে তার পরিবার চাপ সৃষ্টি করলে সে ঘটনা খুলে বলে।
মামলার এজাহারে ধর্ষণকারীর নাম লেখা জুবায়ের। পরে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে প্রতারক প্রেমিকের আসল নাম মজাহিদ আলী।
এদিকে, অভিযুক্ত মজাহিদ আলীর প্রথম বিবাহের পর এক কন্যা সন্তান এবং তার ঘরে দ্বিতীয় স্ত্রী রয়েছে বলে জানা গেছে।
ধর্ষণ মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






