ভারতের উত্তরপ্রদেশে চলন্ত গাড়িতে বোনের সামনে তিন যুবক মিলে ধর্ষণের চেষ্টা করে এক তরুণীকে। এতে বাধা দেওয়ায় ওই তরুণীর ঘাড়ে পর পর কোপানো হয়। এতে গাড়িতেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহত তরুণী মেকআপের কাজ করতেন।
এ কারণে একটি বিয়েবাড়িতে বোনকে সঙ্গে করে কনে সাজাতে গিয়েছিলেন তিনি। তাকে নিয়ে যেতে বিয়েবাড়ি থেকে গাড়িও পাঠানো হয়। গাড়িতে ছিলেন তিন যুবক। বিয়েবাড়ির সাজ শেষ করে আবার সেই গাড়িতেই বাড়ি ফেরার জন্য উঠে বসেন দুই বোন।
ফেরার পথে তাদের শ্লীলতাহানি করা হয়।
নিহতের বোন বলেন, বোনের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছিল। তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করছিল অভিযুক্তরা। কিন্তু আমার বোন তাতে বাধা দেন।
এতেই রেগে গিয়ে একজন আমার বোনের ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। ওরা আমাদের দুজনেরই শ্লীলতাহানি করে।
তরুণীর বোন জানান, তার চোখের সামনেই পরপর একাধিকবার তার বোনের ঘাড়ে কোপ বসানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তার বোন যখন ছটফট করছিলেন, সেই সময়ে চালক অসতর্ক হয়ে পড়লে তাদের গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। রাস্তার একটি ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায় গাড়ি।
দুই বোনের চিৎকারে স্থানীয়রা জড়ো হন এবং তাদের উদ্ধার করেন। তার আগেই অভিযুক্ত তিনজন পালিয়ে গিয়েছিলেন।
তবে যাওয়ার সময়ে তারা হুমকি দিয়েছিলেন, কাউকে এই ঘটনার কথা জানালে বা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তরুণীর বোন এবং গোটা পরিবারকেই খুন করা হবে।
ঘটনার পর নিহত তরুণীর স্বামী লখনউয়ের বঁথরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও তৃতীয় অভিযুক্ত এখনো ধরা পড়েনি। তাকে খুঁজছে পুলিশ। পলাতক ওই তৃতীয় যুবকই খুন করেছিল ওই তরুণীকে।
এসিপি বিকাশ পাণ্ডে জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। যত দ্রুত সম্ভব তৃতীয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে।






