৫ আগস্ট দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ১ হাজার ৪১৮টি অস্ত্র এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, এসব অস্ত্র নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই পুলিশের কাছেও। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, লুট হওয়া অস্ত্র দিয়েই সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জে খুন করা হয়েছে শাহিদা ইসলামকে। এমন বাস্তবতায়- ছিনতাই, হত্যাকাণ্ডে এসব অস্ত্র ব্যবহারের শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
মুন্সিগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা শাহিদা ইসলামকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন কথিত প্রেমিক তৌহিদ শেখ তন্ময়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, গত ২৯ নভেম্বরের এই হত্যাকাণ্ডে যে পিস্তল ব্যবহৃত হয়েছে সেটি ওয়ারি থানার এক পরিদর্শকের। গত ৫ আগস্ট থানা থেকে লুট হয় এটি। ওই সময় ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হয় ১ হাজার ৮৯৮টি অস্ত্র। এ পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ১ হাজার ২১৭টি। হদিস মেলেনি বাকি ৬৮১টির। সারা দেশে লুট হওয়া ৫ হাজার ৭৪৯টি অস্ত্রের মধ্যে উদ্ধার করা যায়নি ১ হাজার ৪১৮টি। এছাড়া লুট হওয়া অস্ত্র বিক্রির সময় গ্রেপ্তার হয়েছে বেশ কয়েকজন।
পুলিশ বলছে, উদ্ধার অভিযান চললেও পিস্তলের মতো ছোট অস্ত্র এখনও অপরাধীদের হাতে রয়েছে। যার সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় অন্ধকারে রয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি ইনামুল হক সাগর বলেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে অস্ত্র উদ্ধারে আমরা কাজ করছি। যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
সাবেক আইজিপি মোহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে দ্রুত এ সব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো জরুরি। যদি এই সব অস্ত্র বেআইনিভাবে অন্যের হাতে থাকে সেটা বিপজ্জনক। আইনশৃঙ্খলার জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক।
তবে ৫ আগস্টের পর থানা পুলিশের অস্ত্র লুটের হিসাব দেয়া হলেও গণভবনের খোয়া যাওয়া অস্ত্রের কোনো হিসাব নেই।






