সারাদেশ

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর হামলায় উদ্বিগ্ন জনমত

 

ভয় নয় ভোটেই পরিবর্তন চায় জনগণ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জোটবদ্ধ অংশগ্রহণ যখন রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে তখনই বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা হুমকি ও বাধার অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ৩০০ সংসদীয় আসনে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণার পর মাঠপর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারণা নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কোথাও নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর কোথাও পোস্টার ছেঁড়া আবার কোথাও প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটেছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দাবি দীর্ঘদিনের দলীয় আধিপত্যের বাইরে এসে জনগণের কথা বলতেই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু সেই উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি ও সহিংসতা চালানো হচ্ছে। এতে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জনগণের মতামত
সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় জনগণ এখন ভয়মুক্ত নির্বাচন চায়। অনেক ভোটার বলেন তারা আর চাপিয়ে দেওয়া রাজনীতি চান না। তারা এমন প্রতিনিধি চান যারা দলীয় স্বার্থের চেয়ে জনগণের কথা বলবেন।
একজন ভোটার বলেন হামলা দিয়ে যদি প্রার্থীদের থামানো হয় তাহলে গণতন্ত্রের অর্থ থাকে না। আরেকজন বলেন স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
স্বতন্ত্রের সরকার নিয়ে প্রত্যাশা
বাংলাদেশ স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর হামলা প্রমাণ করে যে জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা শক্তিশালী হচ্ছে। ইনসাফভিত্তিক জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যই কিছু মহলের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংগঠনের চেয়ারম্যান আলহাজ মোঃ আব্দুর রহিম বলেন আমরা ভয় পাই না। জনগণই আমাদের শক্তি। হামলা আমাদের পথ থামাতে পারবে না।
গণতন্ত্র ও নিরাপত্তা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি বা সংগঠনের ওপর নয়। এটি সরাসরি ভোটাধিকার ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির ওপর আঘাত। সব প্রার্থীর জন্য সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।
উপসংহার
বর্তমান সময়ে জনগণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। তারা ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন চায়। হামলা নয় ব্যালটেই জনগণের রায় হোক এটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

Leave a Reply