আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর আহ্বায়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তরুণ ও নারী নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কেন্দ্রীয় কৌশলের অংশ হিসেবেই তুলির নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় এসেছে।
রাজনীতির অঙ্গনে তুলির সরাসরি সম্পৃক্ততা তুলনামূলক নতুন হলেও, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলায় তার সক্রিয় ভূমিকা ইতোমধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নজর কেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নারী নেতৃত্ব বিকাশ, সমাজসেবা ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন।
‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের মাধ্যমে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় নারী ও প্রবীণদের সহায়তা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পুনর্বাসনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানবিক এই কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তিনি, যা স্থানীয় রাজনীতিতে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে।
দলীয় একটি সূত্র জানায়, তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে তুলির ইতিবাচক ভাবমূর্তি তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। বিশেষ করে নগরাঞ্চলের মধ্যবিত্ত ও তরুণ সমাজের মধ্যে তার কর্মকাণ্ড প্রশংসিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে নতুন প্রজন্ম ও নারী নেতৃত্বের উত্থান অনিবার্য। সানজিদা ইসলাম তুলি সেই পরিবর্তনের প্রতীক হতে পারেন। তাদের ভাষায়, “রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাসম্পন্ন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি—তুলি সেই শূন্যতা পূরণ করতে পারেন।”
তবে এখনো দলীয়ভাবে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়নি।
তবুও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা—
যদি সানজিদা ইসলাম তুলি মনোনয়ন পান, তবে ঢাকা-১৪ আসনে দেখা যেতে পারে এক নতুন ও ব্যতিক্রমী নির্বাচনী লড়াই।






