চট্টগ্রামে জলজট নিরসনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ৪ উপদেষ্টাকে দায়িত্ব দেয়ার পর সুফল মিলছে। একটু বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাওয়া মুরাদপুর, চকবাজার ও কাতালগঞ্জে এবার সৃষ্টি হয়নি জলাবদ্ধতা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খাল-নালা সংস্কার ও মাটি অপসারণ করায় কমেছে জলাবদ্ধতা।
বর্ষার আগেই সহনীয় পর্যায়ে আসবে জলাবদ্ধতা। ১৭টি খাল খননসহ সমন্বিতভাবে কাজ করার কথা জানান সিটি মেয়রও। এর ৪ মাস পর কাজের অগ্রগতি দেখতে নগরীতে বেশি জলাবদ্ধতা হয় এমন তিনটি স্থানে সরেজমিনে ঘুরেছে এ প্রতিবেদক।
মুরাদপুর এলাকায় এ ভবনের প্রহরী ওবাইদুর রহমান বলেন, ‘গত রাত ১২টার দিকে এখানে এসেছি। তখনও থেকে বৃষ্টি। ভোরেও বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কোথায় পানি নেই।’
পরের গন্তব্য চকবাজার। ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায় চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম এ এলাকা। কিন্তু (৩০ মে) ভোর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হলেও নেই সেই ভোগান্তি।
চকবাজারের দোকানি মোরশেদুল আলম বলেন, ‘গত রাতে ২টায় দোকান বেঁধেছি। একটু পানি উঠেছিল সঙ্গে সঙ্গে নেমে গেছে। ভোরেও প্রচুর বৃষ্টি। কিন্তু দোকানে পানি ওঠেনি। গত বছর এ সময় বৃষ্টিতে এ এলাকা তলিয়ে যায়।
একইভাবে ২০২৪ সালে ৩০ জুন নগরীর কাতালগঞ্জ ডুবলেও চলতি বছরের ৩০ মে’র বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়নি জলাবদ্ধতা। এছাড়াও আরও তিনটি স্থানে আগে জলাবদ্ধতা হলেও এবার হয়নি। কিছু জায়গায় পানি জমলেও সঙ্গে সঙ্গে নেমে গেছে।






