মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ১১১ জন সংসদ সদস্যকে (এমপি) আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রোববার (১৮ অক্টোবর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে কৃষিমন্ত্রী তার ডিও লেটারে লিখেছেন, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ডিও লেটারে কৃষিমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জাতীয় মৎস্যসম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টিনিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। মা ইলিশ সংরক্ষণের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সফলতা কেবল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের ওপর নির্ভরশীল নয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সামাজিকভাবে সুপরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব।
নেতাকর্মীদের এই অভিযান বাস্তবায়নে সহযোগিতা, জেলেদের আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ইতিবাচক ভূমিকা জেলেদের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে এবং সামাজিক সমর্থন বৃদ্ধির মাধ্যমে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে।






